১. : প্রতিযোগী মনোভাব
নারীদের যে গুণটাকে পুরুষরা সমীহ করে চলেন তা হলো তাদের প্রতিযোগিতায় নামার মনোবল। এই গুণটি মূলত পুরুষের মধ্যে সহজাত প্রবৃত্তির মতো বিরাজ করে। তাই তাদের বিপরীতে নারীদের প্রতিযোগিতায় পেলে তা দারুণ উপভোগ করেন ছেলেরা। নিজের পরিবার, সমাজ এমনকি জীবনসঙ্গীর সঙ্গেও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তারা এগিয়ে থাকবেন এমনটিই চান পুরুষরা।২. : হাস্যোজ্জ্বল
নারীর নারীসুলভ হাসির জন্যে পাগল থাকেন পুরুষরা। পাশাপাশি সেন্স অব হিউমার একজন নারীকে আরো আকর্ষণীয় করে তোলে পুরুষের কাছে। তবে সব ধরনের হাসি নয়, নারীর মোহনীয় হাসিকে পছন্দ করেন পুরুষরা। ডাইনির মতো হাসি নয়।৩. : সুন্দর দাঁত
হাসিকে আরো সুন্দর করে তোলে সুন্দর দুই পাটি দাঁত। নারীদের মুখের অন্যতম সৌন্দর্য তাদের দাঁত। এ ক্ষেত্রে সুন্দর ছোট ছোট দাঁত সুন্দরভাবে সাজানো রয়ছে তেমনটিই চান অধিকাংশ পুরুষ। অনেকে আবার একটি উঁচু দাঁত পছন্দ করেন। তবে সবাই মুক্তোর মতো ঝকঝকে সাদা দাঁতের পাগল।৪. : অদ্ভুত অভ্যাস
অদ্ভুত বিষয়টি হলো, মেয়েদের কিছু পাগলাটে অভ্যাস ছেলেরা দারুণ পছন্দ করেন। এ ক্ষেত্রে মেয়েদের অদ্ভুত অভ্যাস বা শখ বা আচরণ যাই হোক, ছেলেরা এর রীতিমতো পৃষ্ঠপোষক। যেমন- কথা বলার সময় কথার চেয়ে বেশি অঙ্গভঙ্গি ছেলেদের কাছে মনোমুগ্ধকর বিষয়।৫. : কালো তিল
কপোলের কালো তিল ছেলেদের চোখে পড়ে। এই ‘বিউটি স্পট’ এর খুব ভক্ত ছেলেরা। হয়তো ঠোঁটে একটি তিল বা গলার মাঝে বা চিবুকে বা পিছে ঘাড়ে একটি বা দুটি তিল রয়েছে। এতেই ছেলেরা কুপোকাত।৬. : আনাড়িপনা
মেয়েদের আনাড়িপনায় দারুণ মজা পান ছেলেরা। বেখেয়ালে একটু হোঁচট খাওয়া, ভুল কিছু একটা করে করুণ মুখ করে বসে থাকা বা বোকামি করা। এসব পছন্দ ছেলেদের কাছে। এগুলো মেয়েলি কাজকারবার বলে মনে করেন ছেলেরা। এগুলো খুব আনন্দ দেয় ছেলেদের।৭. : মেনে নেওয়া এবং একাত্ম হওয়ার ক্ষমতা
মূলত নারীরা ছেলেদের চেয়ে অনেক বেশি মানিয়ে নেওয়া বা আপস করা বা একাত্ম হওয়ার ক্ষমতা রাখেন। আর এর ভক্ত পুরুষরা। সামাজিকতা রক্ষায় নারীরা এগিয়ে থাকেন এ কারণেই। আর নারীদের এমনই দেখতে চান পুরুষরা। এই আধুনিক যুগেও নারীরা এসব গুণ ধারণ ও লালন করেন এবং যুগে যুগে তার প্রসংশা করে চলেছেন পুরুষরা।সূত্র : ইন্টারনেট


১০:৪০ PM
Aiub

যে বিভাগে পোস্ট করা হয়েছে : 
0 - মন্তব্য:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন